Skip to Content

তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ বছর ধরে হচ্ছে না ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন

তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ বছর ধরে হচ্ছে না ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন

Be First!

অনলাইন ডেস্ক::

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনার পর্ষদে (ম্যানেজিং)
কমিটির নির্বাচন হয় না প্রায় গত ১০ বছর ধরে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নানা কৌশলে নির্বাচন বন্ধ করে রেখেছেন
বলে অভিবাবকরা অভিযোগ করেছেন।

বিদ্যালয়ে অযোগ্য শিক্ষকদের দিয়ে পাঠদান, যে কোন কাজে উৎচোক ছাড়া কাজ না করা, নিয়োগে অনিয়ম, পরিচালনা পর্ষদে আপন চাচাতো ভাই সাদাতুর রহমানকে সভাপতি ও আপন মামাতো ভাই মুহিবুর রহমান মুকুটকে সহ-সভাপতি করে  কমিটি গঠনসহ নানা অনিয়ম করে একক ক্ষমতা প্রয়োগ করছেন প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ। এ নিয়ে স্থানীয়রা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো কাজ হয়নি। এসব অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদের বাড়ি এবং প্রতিষ্ঠান একই এলাকায় থাকায় গোষ্টিগত জোর দিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষকে অনেকটা  জিম্মি করে রেখেছেন তিনি। এমনকি দলীয় কোন পদ পদবি না থকেলেও সরকারদলীয় দোহাই দিয়ে হর হামেশাই অনিয়ম করে যাচ্ছেন। আর এর পিছনে যোগান দিচ্ছেন বিদ্যালয়ের সভাপতি সাদাতুর রহমান।

এদিকে অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টের সুবিধা পাওয়া ও অবসর ভাতার টাকার জন্য ফাইল তৈরি করতেও টাকা দাবী করেন এ প্রধান শিক্ষক। নির্ধারিত টাকা না দিলে কয়েক বছরেও ফাইল তৈরি হয়না বলেও নজির রয়েছে। তেমনি তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার আক্কাছ আলী মাষ্টারের অবসর ফাইলে দীর্ঘ ৬ বছর পর প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষর করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বেশ কয়েকবার উপজেলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি উত্তাপন করলেও কোনো সুরহা পাননি।

আনুষ্ঠানিক ঘোষনা না দিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে প্রধান শিক্ষকের চাচাতো ভাই সাদাতুর রহমানকে সভাপতি করে গোপনে একাধিকবার পরিচালনা পর্ষদের কমিটির অনুমোদন করে নিয়ে আসেন এ প্রধান শিক্ষক। এ ধারায় প্রায় ১০ বছর ধরে চালিয়ে আসছেন নিজ কৌশল। নিজের অনিয়ম চাপা দিয়ে রাখতে ভালো মানুষদের নিয়ে আসা হয় না পরিচালনা পষর্দে। এ নিয়ে পুরো এলাকা জুড়ে চাপা ক্ষোভ দেখা দিলেও ভয়ে কেউ মুখ খোলছেন না।

এমনকি নিজের ইচ্ছামত অযোগ্যদের খন্ডকালীন নিয়োগ দিয়ে পাঠদান করান শ্রেণী কক্ষে। এখনও খালি পড়ে আছে রসায়ন, পদার্থ, গনিত বিষয়ের শিক্ষক।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের বিপরীতে নানা কৌশল প্রয়োগ করে দেখা করার প্রস্তাব দেন প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ।

বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি সাদাতুর রহমান বলেন, আমি ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছি। অনান্য অভিযোগের বিপরিতে তিনি জানেননা বলে জানান।

সব অভিযোগ স্বীকার করে শরীফপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জুনাব আলী বলেন, এলাকার মানুষ এ জিম্মিদশা থেকে রেহাই পেতে চায়।

এ ব্যাপরে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম রাব্বী চৌধুরী বলেন, এমন অভিযোগ আগে জানা ছিলো না তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।

এসব অভিযোগের বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন, আমি স্ব-শরীরে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করতে চাঁই।

পরবর্তী পোস্ট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন। নতুনরা পেজে লাইক দিয়ে জয়েন করুন।
Share
Previous
Next

Leave a Reply

Your email address will not be published.